Finance

শিশু ও মাতৃত্ব ভাতা আবেদন ২০২৩- শিশু ও মাতৃত্ব ভাতার যোগ্যতা, টাকার পরিমান এবং  শিশু কার্ড 

মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয় কর্তৃক দরিদ্র গর্ভবতী মা ও শিশুদের একটি নির্দিষ্ট হারে ভাতা প্রদান করা হয়। মাসিক ৩৫০/- হারে প্রতি ৬ মাস অন্তর অন্তর করে ৪বার বা ২৪ মাস ভাতা প্রদান করা হয়। আপনি যদি এই ভাতা পাওয়ার যোগ্যতা থাকা সত্ত্বেও ভাতা পাওয়ার নিয়ম কানুন এবং ভাতা অনলাইনে পূরণ করার সঠিক ফর্মুলা না জেনে থাকেন তাহলে এই পোস্টটি আপনাকে সকল তথ্য দিয়ে সহযোগিতা করবে।

সুতরাং। শিশু এবং মাতৃত্বকালীন ভাতা পাওয়ার জন্য আমাদের নিজের ফর্মুলা মোতাবেক অনলাইন ফরম পূরণ করে জমা দেওয়ার জন্য সঠিক দিক নির্দেশনা এবং তা গ্রহণ হওয়ার মাধ্যমে টাকা উত্তোলনের  মাধ্যম এবং সর্বোপরি এই ভাতা পাওয়ার যোগ্যতা সম্পর্ক নীতি বিস্তারিত আলোচনা করা আছে। কাজেই, আপনি বা আপনার পরিবারের কোন সদস্যের শিশুপাতা এবং মাতৃত্বকালীন ভাতা পাওয়ার জন্য আবেদনের প্রক্রিয়া সহ বিস্তারিত তথ্য পেতে আমাদের সঙ্গেই থাকুন।

শিশু ভাতা আবেদন ২০২৩

শিশু ভাতার জন্য আবেদন করতে হলে অনলাইনে বাংলাদেশ শিশু এবং মহিলা বিষয়ক মন্ত্রণালয় এর অফিশিয়াল ওয়েবসাইট  অর্থাৎ mowca.portal.gov.bd তে গিয়ে অনলাইনে আবেদন ফরম পূরণ করে সাবমিট করতে হবে ।এবং পরবর্তীতে মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয় উপজেলাধীন কর্মকর্তা আপনার সত্যতা যাচাই পূর্বক ভাতা পাওয়ার যোগ্য হিসেবে বিবেচিত করবেন। 

এরপর সবকিছু ঠিকঠাক থাকলে এবং আপনার কাঙ্খিত ভাতা মন্ত্রণালয় কর্তৃক বরাদ্দ হলে একটি শিশু কার্ড  আপনাকে দেওয়া হবে যার মাধ্যমে আপনি অতি সহজেই মোবাইল ব্যাংকিং  অথবা চেকের মাধ্যমে টাকা উত্তোলন করতে পারবেন।

শিশু ও মাতৃত্ব ভাতা

শিশু ও মাতৃত্ব ভাতা পেতে হলে আপনাকে অবশ্যই অনলাইন ভিত্তিক আবেদন করতে হবে এবং নির্দিষ্ট ফর্মুলা মোতাবেক শিশু ভাতা এবং মাতৃত্ব ভাতা পাওয়ার উপযোগী যাবতীয় তথ্য অনলাইনে সরবরাহ করতে হবে ।শিশু ও মাতৃত্ব ভাতা  পাওয়ার জন্য কি পরিমান যোগ্যতা অথবা কত টাকা  ভাতা হিসেবে প্রদান করা হয়, শিশু ও মাতৃ ভাতা  গ্রহণের মাধ্যম  ইত্যাদি সম্পর্কে জানতে আমাদের ওয়েবসাইট ফলো করতে পারেন।

2022 সালে সমাজসেবা অধিদপ্তর এবং মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তর শিশু ও মাতৃত্ব ভাতা  প্রদান করার লক্ষ্যে ইতোমধ্যে সার্কুলার দিয়েছেন। বিভিন্ন ধাপে ইউপি নির্বাচন শেষ হয়ে গেলে বর্তমানে শিশু ভাতা ও মাতৃত্ব ভাতা অথবা প্রতিবন্ধী ভাতা গ্রহণের জন্য মাইকিং করা হচ্ছে।  আপনি যদি শিশু ভাতা মাতৃত্ব ভাতা ও প্রতিবন্ধী ভাতা সম্পর্কে না জেনে থাকেন তাহলে এই আর্টিকেলটি আপনাকে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য দিয়ে সহযোগিতা করছে।

শিশু ও মাতৃত্ব ভাতা আবেদন ফরম

অনেকেই শিশু ভাতা পাওয়ার যোগ্যতা থাকা সত্ত্বেও অনলাইনে শিশু ভাতা আবেদন ফরম সঠিকভাবে পূরণ করতে না পারায় এই ভাতা থেকে বঞ্চিত হন। আমাদের গুরুত্বপূর্ণ  ভিজিটর অতি সহজেই এবং নির্ভুল ভাবে শিশু ভাতা আবেদন ফরম পূরণ করে  সাবমিট  করতে পারেন- সেজন্য বাংলাদেশ শিশু এবং মহিলা বিষয়ক মন্ত্রণালয় এর অফিসিয়াল পেজ হতে শিশু  ভাতা আবেদনের  202২ সালের নমুনা নিচে দেওয়া হল-

আবেদন ফরম

শিশু ও মাতৃত্ব ভাতা পাওয়ার যোগ্যতা

“দরিদ্র মা’র জন্য মাতৃত্বকাল ভাতা’’ প্রদান কর্মসূচি বাস্তবায়ন নীতিমালা, মার্চ, ২০১১ অনুযায়ী বাস্তবায়ন হয়ে থাকে। সে অনুযায়ী:

ক. প্রথম বা দ্বিতীয় গর্ভধারণকাল (যেকোনো একবার)

খ. বয়স কমপক্ষে ২০ বছর বা তার ঊর্ধ্বে

গ. মোট মাসিক আয় ১৫০০/- টাকার নিম্নে

ঘ. দরিদ্র প্রতিবন্ধী মা অগ্রাধিকার পাবেন

ঙ. কেবল বসতবাড়ি রয়েছে বা অন্যের জায়গায় বাস করে

চ. নিজের বা পরিবারের কোনো কৃষি জমি, মৎস্য চাষের জন্য পুকু নেই

ছ. উপকারভোগী নির্বাচনের সময় অর্থাৎ জুলাই মাসে উপকারভোগীকে অবশ্যই গর্ভবতী থাকতে হবে

জ. প্রথম ও দ্বিতীয় গর্ভের সন্তান গর্ভাবস্থায় বা জন্মের ২ (দুই) বছরের মধ্যে মারা গেলে তৃতীয় গর্ভধারণকালে ভাতা প্রাপ্য হবেন

ঝ. একজন ভাতাভোগী জীবনে একবার ২ (দুই) বছর সময়কালের জন্য মাতৃত্বকাল ভাতা পাবেন

ঞ. কোনো কারণে সন্তানের মৃত্যু হলে অথবা গর্ভপাতের কারণে নির্দিষ্ট চক্র অসম্পূর্ণ থাকলে তিনি পুনরায় গর্ভবতী হলে পরবর্তীতে ২ (দুই) বছরের মাতৃত্ব ভাতা প্রাপ্য হবেন, যদি অন্যান্য শর্ত পূরণ হয়ে থাকে

 -বর্ণিত শর্তসমূহের মধ্যে কেউ ক, খ ও ছ সহ কমপক্ষে ৫ (পাঁচ)টি শর্ত পূরণ করলে তার নাম প্রাথমিক তালিকায় অন্তর্ভুক্ত হবে এবং অধিকতর দরিদ্র অগ্রাধিকার পাবেন।

প্রয়োজনীয় কাগজপত্র

  • দুই কপি পাসপোর্ট সাইজের ছবি
  • উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা/উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা কর্তৃক গর্ভকালীন সনদ
  • নাগরিক সনদ
  • ইউনিয়ন সহকারী ভূমি কর্মকর্তা কর্তৃক প্রদত্ত সনদ এবং 
  • জন্ম নিবন্ধন সনআবন

বিশেষ দ্রষ্টব্য আবেদন সঠিকভাবে সাবমিট করার পরেও যদি আপনি কোনরূপ ভাবে সেবা  না পেয়ে থাকেন বা কোনো ঝামেলার সম্মুখীন হন তাহলে, জেলা এবং উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা এবং উপজেলা নিবার্হী অফিসারের কার্যালয়ে যোগাযোগ করার পরামর্শ থাকছে।

মোঃ জাহিদুল ইসলাম

আমি মোঃ জাহিদুল ইসলাম । 2018 সাল থেকে সমাজের অর্থনৈতিক, রাজনৈতিক, সামাজিক,মানবিক দৃষ্টিভঙ্গি অবলোকন করে- জীবনকে পরিপূর্ণ আঙ্গিকে নতুন করে সাজানোর আশাবাদী। নতুনের প্রতি মানুষের আকর্ষণ চিরস্থায়ী- তাই নবরুপ ওয়েবসাইটে নিয়মিত লেখালেখি করি।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button