শিক্ষা

প্রাইমারি শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা ২০২২ কবে? সূত্র- DPE.GOV.BD

২০২২ সালের প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা কবে অনুষ্ঠিত হবে তা  নিয়ে ভিন্ন মত রয়েছে. প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় কর্তৃক প্রাইমারি অ্যাসিসটেন্ট টিচার নিয়োগ 2022 সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে  আর্টিকেলটি পুরোপুরি পড়ুন.2019 সালের প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়েছিল কিন্তু করোনা ভাইরাসের কারণে শিক্ষক নিয়োগের পরীক্ষা   এখনো হয়নি.  এই পরীক্ষা 2021 সালের ডিসেম্বর মাসে  অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা থাকলেও কর্তৃপক্ষ এখনো চিন্তা ভাবনায় রয়েছেন.

2019 সালের সার্কুলার মোতাবেক 34 হাজার 100 পদের বিপরীতে 24 লাখেরও বেশি  চাকরি প্রত্যাশী আবেদন জমা দিয়েছেন. করোনাভাইরাস পরিস্থিতি স্বাভাবিক পর্যায়ে আসতে শুরু করেছে বলে ডিসেম্বর, 2021 মধ্যে প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে বলে dph.gov.bd  সূত্রে জানা যায়.প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী জাকির হোসেন বলেছেন, শিক্ষক স্বল্পতা দূর করতে আগামী ডিসেম্বরের 2021 মধ্যে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ৩২ হাজার ৭০০ জন সহকারী শিক্ষক নিয়োগের পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। এ নিয়োগ সম্পন্ন হলে শিক্ষকরা আরও স্বাচ্ছন্দে কোমলমতি শিক্ষার্থীদের পাঠদান করাতে পারবেন।

প্রাথমিক ও গণশিক্ষা অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক  আরো বলেন, সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সারা দেশ থেকে ৩৪ হাজার ১০০টি পদে সহকারী শিক্ষক নিয়োগে জন্য আবেদন চাওয়া হয়েছিল। এতে আবেদন জমা পড়েছে ২৪ লাখের বেশি। এত বিপুল পরিমাণ আবেদন জমা পড়ার কারণে নিয়োগ পরীক্ষা নিতে আমাদের অনেক ভাবতে হচ্ছে।

পরীক্ষার আয়োজনের প্রস্তুতি চূড়ান্ত পর্যায়ে। আমরা জানুয়ারী- ফেব্রুয়ারী ২০২২ মাসে পরীক্ষা নিতে মন্ত্রণালয়ে আবেদন করেছি। মন্ত্রণালয়ের অনুমতি পেলে জানুয়ারী- ফেব্রুয়ারী ২০২২ মাসে এই পরীক্ষা নেওয়া শুরু হবে। বিপুল পরিমাণে আবেদনকারীর পরীক্ষা এক দিনে নেওয়া সম্ভব নয়। তাই জানুয়ারী- ফেব্রুয়ারী ২০২২ মাসের প্রতি শুক্রবার এ পরীক্ষা নিতে মন্ত্রণালয়ের মতামত চাওয়া হয়েছে। মন্ত্রণালয় থেকে সংকেত পেলে পরীক্ষা শুরু করা হবে। শেষে ০১ এপ্রিল পরিক্ষা শুরু হওযার ঘোষণা পিছিয়ে ০৮ এপ্রিল করা হয়েছিল।

প্রাইমারি  শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা 2022 কবে?

DPE প্রাথমিক পরীক্ষার তারিখ 2022 সংক্রান্ত একটি নতুন বিজ্ঞপ্তি ঘোষণা করেছে । ডিপিই পরীক্ষা ৮ এপ্রিলের পরিবর্তে 22 এপ্রিল, 2022 এ অনুষ্ঠিত হতে চলেছে। বিজ্ঞপ্তি ছাড়াও, সারাদেশে 61টি জেলায় পরীক্ষা নেওয়া হবে। সেজন্য ডিপিই ২২ এপ্রিল পরীক্ষা শুরু করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। চলতি সপ্তাহে এ বিষয়ে নির্দেশনা জারি করা হবে বলে জানা গেছে।

সভায় জানানো হয়, সহকারী শিক্ষকের ৩২ হাজার ৫৭৭টি শূন্য পদে নিয়োগের জন্য প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর ২০২০ সালের ২০ অক্টোবর বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে। কিন্তু করোনা মহামারির কারণে পরীক্ষা নেওয়া সম্ভব হয়নি। ইতিমধ্যে অবসরজনিত কারণে আরও ১০ হাজারেরও বেশি সহকারী শিক্ষকের পদ শূন্য হয়ে পড়েছে।

প্রাইমারি শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা ২০২২- এপ্রিলের মধ্যে পরীক্ষা নেওয়া শেষে উত্তীর্ণ পরীক্ষার্থীদের জুলাই মাসের মধ্যে নিয়োগ.

Primary Exam Date 2022 Latest Update

State Minister for Primary and Mass Education Mohammad Zakir Hossain has said that the primary assistant teacher recruitment test is likely to be held in March 2022. The official website of the Department of Primary and Mass Education dpe.gov.bd has published written exam will start on 22 April, 2022. However, the idea is that the Primary Job Exam may be on the weekend in March.

As you know, all the activities for the Primary Assistant Teacher Recruitment Examination have already been completed by the Ministry. Now just waiting to take the test with a date. Many people think that if there is no test in March, it may be in April. But since there is no written basis for it, the exact date of the primary school assistant teacher examination cannot be stated. However, preparations should be made now as the test will be held soon.

প্রাইমারি শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা ২০২২ (১মপর্ব, ২য়পর্ব, ৩য়পর্ব)- কোন পর্বে কোন জেলার পরীক্ষা দেখে নিন

প্রাইমারি শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষার প্রথম পর্বের জেলার তালিকা

১ম পর্বে ২২টি জেলায় পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। এর মধ্যে ১৪টি জেলার সবকটি উপজেলা এবং ৮টি জেলার কয়েকটি উপজেলায় পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। জেলা পর্যায়ে এই পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। মোট ৫০৬টি কেন্দ্রে পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। ১ম পর্বে অনুষ্ঠিত হবে জেলার সকল উপজেলার পরীক্ষাগুলো হল-

  1. চাঁপাইনবাগঞ্জ জেলাঃ সকল উপজেলা
  2. মাগুরা জেলাঃ সকল উপজেলা
  3. শেরপুর জেলাঃ সকল উপজেলা
  4. গাজীপুর জেলাঃ সকল উপজেলা
  5. নরসিংদী জেলাঃ সকল উপজেলা
  6. মানিকগঞ্জ জেলাঃ সকল উপজেলা
  7. ঢাকা জেলা: সব উপজেলা
  8. মাদারীপুর জেলাঃ সকল উপজেলা
  9.  মুন্সীগঞ্জ জেলাঃ সকল উপজেলা
  10. লক্ষ্মীপুর জেলাঃ সকল উপজেলা
  11. ফেনী জেলাঃ সকল উপজেলা
  12. চট্টগ্রাম জেলা: সব উপজেলা
  13. মৌলভীবাজার জেলাঃ সকল উপজেলা
  14. লালমনিরহাট জেলা: সব উপজেলা
  15. সিরাজগঞ্জ জেলা: উল্লাপাড়া, বেলকুচি, চৌহালী, কামারখন্দ, কাজিপুর
  16. যশোর জেলা: ঝিকরগাছা, কেশবপুর, মনিরামপুর, শার্শা,
  17. ময়মনসিংহ জেলা: ভালুকা, ধোবাউড়া, ফুলবাড়িয়া, গফরগাঁও, গৌরীপুর, হালুয়াঘাটা, ঈশ্বরগঞ্জ
  18. নেত্রকোনা জেলা: আটপাড়া, বারহাট্টা, দুর্গাপুর, কলমাকান্দা, কেন্দুয়া
  19. কিশোরগঞ্জ জেলা: অষ্টগ্রাম, বাজিতপুর, ভৈরব, হোসেনপুর, ইটনা, করিমগঞ্জ, কটিয়াদী
  20. টাঙ্গাইল জেলা: টাঙ্গাইল সদর, ভূঞাপুর, দেলদুয়ার, ধনবাড়ী, ঘাটাইল, গোপালপুর
  21. কুমিল্লা জেলা: বড়ুয়া, ব্রাহ্মণপাড়া, বুড়িচং, চান্দিনা, চৌদ্দগ্রাম, কুমিল্লা সদর, মেঘনা, দাউদকান্দি।
  22. নোয়াখালী জেলা: কবিরহাট, সদর, সেনবাগ, সোনাইমারী ও সুবর্ণচর।

পরীক্ষার তারিখঃ ২২ এপ্রিল, ২০২২ ( শুক্রবার )

প্রাইমারি শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষার দ্বিতীয় পর্বের জেলার তালিকা

২য় পর্বের জন্য সম্ভাব্য জেলার তালিকাঃ

প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ২য় ধাপের নিয়োগ পরীক্ষার জেলা/উপজেলার তালিকা ২০২২

 

পরীক্ষার তারিখঃ ২০ মে , ২০২২ ( শুক্রবার )

প্রাইমারি শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষার ৩য় পর্বের জেলার তালিকা

৩য় পর্বের জন্য সম্ভাব্য জেলার তালিকাঃ

প্রাথমিকের ৩য় ধাপের নিয়োগ পরীক্ষার জেলা/উপজেলার তালিকা 2022

 

পরীক্ষার তারিখঃ ৩ মে ২০২২ ( শুক্রবার )

প্রাইমারি শিক্ষক নিয়োগ যোগ্যতা

প্রাইমারি শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা 2019 সালে মেয়েদের জন্য এইচএসসি পাশে আবেদন করার যোগ্যতা ছিল.  কিন্তু বর্তমানে 2020  সালের প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা  ছেলে এবং মেয়ে উভয়ের যোগ্যতা যে কোন স্বীকৃত বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতক ডিগ্রী পাস হতে হবে.

শিক্ষাগত যোগ্যতা: স্বীকৃত বিশ্ববিদ্যালয় হতে দ্বিতীয় শ্রেণি বা সমমানের সিজিপিএ সহ স্নাতক বা স্নাতক (সম্মান) বা সমমানের ডিগ্রী। … মুক্তিযোদ্ধার সন্তান ও শারীরিক প্রতিবন্ধীদের ক্ষেত্রে এ বয়সসীমা হবে ৩২ বছর। বয়স নিরুপণে এফিডেভিট গ্রহণযোগ্য নয়.

প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর সরকারি ওয়েবসাইট 

প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষার পাস মার্ক কত?

আপনারা জানেন যে, ৮০ নম্বরের লিখিত পরীক্ষায় (এমসিকিউ) প্রতিটি শুদ্ধ উত্তরের জন্য এক নম্বর এবং প্রতিটি ভুল উত্তরের জন্য ০.২৫ নম্বর কাটা যাবে।

এখানে যেহেতু  কাট মার্কস রয়েছে সেহেতু পরীক্ষায় পাশ কত নম্বরে হবে তা বলা মুশকিল. প্রতিযোগিতাপূর্ণ পরীক্ষার মধ্যে কাট মার্কস থাকলে তার নিশ্চয়ই পাশ নম্বর সঠিকভাবে বলা যায় না. তাই পরীক্ষার হলে বেশ ভালো করলেও তাদের কিছু নম্বর কাটা যাবে। তাই কাট মার্কস ৬৫ থেকে ৭০ এর মধ্যে থাকবে।

পরীক্ষা যখনই হোক না কেন, দীর্ঘ সময়ের প্রস্তুতি পরীক্ষার্থীদের পড়ালেখার  ভিত্তি মজবুত করে তুলতে  সহায়তা করে.  তাই নির্দিষ্ট সময়ের আগে পরীক্ষার প্রস্তুতি যথোপযুক্ত হওয়া বাঞ্ছনীয়.  অনেকে দেখা যায় যে পরীক্ষায় এমসিকিউ প্রশ্নের সঠিকভাবে বৃত্ত ভরাট করতে না পারায় তাদের কাট মার্কস বেশি হয়ে থাকে. 

তাই সাবধানতা অবলম্বন করে বিত্তু ঘর থেকে শুরু করে প্রশ্নের সমাধান মাথা খাটিয়ে সঠিকভাবে জমা দিতে পারলে লিখিত পরীক্ষা ইনশাআল্লাহ সাকসেস হবে.

 

 

Show More

মোঃ জাহিদুল ইসলাম

আমি মোঃ জাহিদুল ইসলাম । 2018 সাল থেকে সমাজের অর্থনৈতিক, রাজনৈতিক, সামাজিক,মানবিক দৃষ্টিভঙ্গি অবলোকন করে- জীবনকে পরিপূর্ণ আঙ্গিকে নতুন করে সাজানোর আশাবাদী। নতুনের প্রতি মানুষের আকর্ষণ চিরস্থায়ী- তাই নবরুপ ওয়েবসাইটে নিয়মিত লেখালেখি করি।
Back to top button
Close