অ্যাসাইনমেন্ট

৮ম শ্রেণির বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় অ্যাসাইনমেন্ট এর উত্তর চতুর্থ সপ্তাহ

আপনি অষ্টম শ্রেণি চতুর্থ সপ্তাহের বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় বিষয় অ্যাসাইনমেন্ট  উত্তর   বিষয় খুঁজতে চান তাহলে আপনাকে পোস্টে স্বাগতম । আজ আমি অষ্টম শ্রেণি চতুর্থ সপ্তাহের আসামের উত্তর দিব বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় বিষয় ।আমাদের এই উত্তরগুলো অভিজ্ঞ শিক্ষকমন্ডলী ধরা তৈরি করা হয়েছে তাই উত্তরগুলো মানসম্পন্ন এবং শতভাগ সঠিক । আপনার ভাল নাম্বার পাওয়ার জন্য খুব সহায়ক হবে ।

অষ্টম শ্রেণী চতুর্থ সপ্তাহে বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় অ্যাসাইনমেন্ট

বাংলাদেশ সরকারের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী এ বছর ষষ্ঠ থেকে নবম শ্রেণী পর্যন্ত বার্ষিক পরীক্ষার বিকল্প হিসেবে  অ্যাসাইনমেন্ট তৈরি করে নিজ নিজ বিদ্যালয়ে জমা দেওয়ার নিয়ম করে দিয়েছে ।তারাই ধারাবাহিকতা  চতুর্থ সপ্তাহের বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় অ্যাসাইনমেন্ট এর নির্ধারিত কাজ হল ।

সংস্কৃতির আত্তীকরণ বলতে কী বিঝায়?

উত্তরঃ যে প্রক্রিয়ার মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি এবং গোষ্ঠী অন্যের সংস্কৃতি আয়ত্ত করে তাকে সামাজিক আত্তীকরণ বলা হয়।

সামাজিক পরিবর্তনের দুটি উদাহরণ দাও?

উত্তরঃ

  1. যেমন রাজধানী শহর থেকে শুরু করে এমনকি কোনো কোনো ক্ষেত্রে গ্রাম পর্যায় মোবাইল ইন্টারনেট সবাই ব্যবহার করছে। যেটা আগে গ্রামের মানুষের কল্পনার বাইরে ছিল।এটি সামাজিক পরিবর্তনের বড় অংশ।
  2. গ্রামে আগে ছিল কেরোসিনের আলম সে জায়গায় এখন বিদ্যুতের ঝলক গ্রামগঞ্জেও পৌঁছে গেছে।
    এটি সামাজিক পরিবর্তনের বড় অংশ।

রনিদের এলাকার মতো পরিস্থিতিতে তোমার এলাকায় কোভিড আক্রান্তদের জন্য বিদ্যালয় বন্ধুরা মিলে কি ধরনের স্বেচ্ছাসেবক উদ্যোগ নেওয়া যায় তার একটি তালিকা প্রণয়ন করুন।

উত্তরঃ উদ্দীপকের রনিদের এলাকার মতো পরিস্থিতিতে আমার এলাকায় বিদ্যালয়ের বন্ধুরা মিলে নিম্নোক্ত স্বেচ্ছামূলক উদ্যোগ নেওয়া যেতে পারে-
১। যে পরিবারের সবাইকে সংগত কারণে কোয়ারেন্টাইন এ থাকতে হচ্ছে তাদের প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র পৌঁছে দেওয়ার দায়িত্ব নেওয়া যেতে পারে।
২। দিনমজুর হতদরিদ্র মানুষের দুর্দিন ঘরে বসে থাকলে খাদ্য সংকটে পড়বে তাদের খাদ্যের নিশ্চয়তা দিতে সহযোগিতা করা।
৩। অনেকে বিদেশ থেকে এসে করেন্টিন না মরলে তাদের সাথে কথা বলে করেন্টিন এ থাকার জন্য উদ্বুদ্ধ করা।
৪। যারা অসচেতন তাদেরকে সচেতন করার জন্য আলাপ-আলোচনা করে বিষয়টি বুঝিয়ে বলা ।

 নিজেরা সচেতন ও সুস্থ না থাকলে জন সচেতনতা করাটাও মুশকিল। প্রয়োজন এ প্রযুক্তি ব্যবহার করে সাংগঠনিক কর্মকাণ্ড চালাতে হবে। যতটা সম্ভব হলে থাকতে হবে। সামাজিক দূরত্ব মেনে জনসেবামূলক কাছে এগিয়ে যেতে হবে।

উদ্দীপকে বর্ণিত পরিস্থিতিতে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি আমাদের সামাজিকীকরণে কি ধরনের প্রভাব বিস্তার করবে তা বর্ণনা করো ।

উত্তরঃ

বৈশ্বিক মহামারীর কারণে অনলাইন এবং বেতার ও ইলেকট্রনিক্স অনেক জনপ্রিয়তা পেয়েছে।করোনাভাইরাস এর মধ্যে জনগণের জন্য অত্যাবশ্যক জরুরী সেবা সহজ করতে বিভিন্ন অনলাইন প্লাটফর্ম চালু করেছে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগ। করোনাকালে দেশের স্বাস্থ্য সেবা, নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসপত্র, শিক্ষা সবকিছুই এখন অনলাইনে হচ্ছে।
করোনাকালীন সময় দেশের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানসহ সব বন্ধ হয়ে যায়। তথ্যপ্রযুক্তির মাধ্যমে মানুষ ঘরে বসেই বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে ক্লাস করতে পারছে।প্রযুক্তির মাধ্যমে প্রতিদিন চার হাজার টাকার মানুষের সেবা দিয়ে যাচ্ছে কলনা করোনাকালীন সময়।ঘটনা কালীন সময়ে যাদের চাকরি দিয়েছে কিংবা সামাজিক কারণে মানুষের কাছে হাত পাততে লজ্জা পাচ্ছে তাদের জন্য অনলাইনে কিছু পরিমাণ আর্থিক সহযোগিতার ব্যবস্থা করা হয়েছে।

Md Jahidul Islam

আমি মোঃ জাহিদুল ইসলাম। জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়, বাংলা বিভাগ হতে স্নাতক এবং স্নাতকোত্তর ডিগ্রি সম্পন্ন করে 2018 সাল থেকে সমাজের অর্থনৈতিক, রাজনৈতিক, সামাজিক,মানবিক দৃষ্টিভঙ্গি অবলোকন করে- জীবনকে পরিপূর্ণ আঙ্গিকে নতুন করে সাজানোর আশাবাদী। নতুনের প্রতি মানুষের আকর্ষণ চিরস্থায়ী- তাই নবরুপ ওয়েবসাইটে নিয়মিত লেখালেখি করি।

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button