স্বাস্থ্য

করোনাভাইরাস টিকার নিবন্ধন সিস্টেম,যোগ্যতা,বয়স এবং দিকনির্দেশনা

31 ডিসেম্বর 2019 তারিখ উহান, চীন হতে প্রথম করোনাভাইরাস আবিষ্কৃত হওয়ার পর থেকে বিশ্বব্যাপী অসংখ্য মানুষ প্রাণ দিয়েছেন এবং নিরলস পরিশ্রম করছেন। দীর্ঘদিন যাবৎ টিকার জন্য অপেক্ষা করার পর অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয় করনা ভাইরাসের টিকা ইতোমধ্যে অনেক দেশে গিয়ে পৌঁছেছে। অনেকেই টিকা গ্রহণ করে নিজস্ব এন্টিজেন সক্রিয় করেছে। ভারতের পাশাপাশি বাংলাদেশেও অসংখ্য মানুষের পরিসেবা গ্রহণ করছে।

বাংলাদেশের প্রথম এবং দ্বিতীয় ধাপের আমদানিকৃত করোনাভাইরাস টিকার ডোজ দেওয়া বহাল রয়েছে। প্রথমদিকে স্বাস্থ্যকর্মীর ডাক্তার এবং সমাজের প্রথম শ্রেণীর মানুষদের জন্য টাকার ব্যবস্থা থাকলেও এখন বাংলাদেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলের সকল ৪০ বছরের বেশি বয়সীরা সবাই স্থানীয় যেকোন সরকারি হাসপাতালে গিয়ে করোনাভাইরাসের টিকা নিতে পারবেন। নিবন্ধনও সেখানেই করানো যাবে।

corona tika

পুরো বাংলাদেশব্যাপী টিকাদান কর্মসূচি চালু থাকলেও, প্রত্যন্ত অঞ্চলের অনেকেই করোনাভাইরাস টিকা গ্রহণ করার জন্য নিবন্ধন প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে পারছেন না। আমাদের সেই সকল গুরুত্বপূর্ণ ভিজিটরদের কথা মাথায় রেখে পুরো কনটেন্টটি সাজানো হয়েছে।

সুতরাং চলুন করোনাভাইরাস টিকার জন্য প্রকৃত নিয়ম কানুন এবং দিক নির্দেশনা মেনে নিবন্ধন করি এবং দেশ ও জাতিকে করোনাভাইরাস মহামারী থেকে মুক্ত করি।

করোনা টিকা নিবন্ধন অনলাইন সিস্টেম

বাংলাদেশ স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় হতে প্রকাশিত নিবন্ধন করার অ্যাপ চালু থাকলেও তা বর্তমানে কাজ করছে না। তাই অনেকেই অনলাইনের মাধ্যমে করোনার টিকা নিবন্ধন করছেন এবং পরিষেবা যাচ্ছেন। ওয়েব সাইটে নিবন্ধন করতে হলে-

  • প্রথমে নিজের পেশার ধরন, পেশা বাছাই করার পরে জাতীয় পরিচয়পত্র নম্বর ও জন্ম তারিখ দিতে হবে।
  • বাংলা ও ইংরেজি, উভয় ভাষায় এই ওয়েবসাইটে তথ্য পূরণ করা যাবে। ওয়েব অ্যাপলিকেশনে নিবন্ধন করতে হলে তাদের বয়স ন্যূনতম ১৮ বছর হতে হবে।
  • নিবন্ধন করার সময় তার নাম, বয়স, পেশা, এনআইডি নম্বর, ঠিকানা (সিটি কর্পোরেশন/পৌরসভার ওয়ার্ড), যে কেন্দ্রে টিকা নিতে আগ্রহী – সেই কেন্দ্র নির্ধারণ করে দিতে হবে।
    তবে এজন্য কোন স্ক্যান করা কপি বা ছবি দিতে হবে না।
  • নিবন্ধনের জন্য কোন খরচ বা ফি নেই।
  • একটি এনআইডি নম্বর থেকে একবারই নিবন্ধন করা যাবে।
  • যেকোনো ব্যক্তি তার কম্পিউটার ব্যবহার করে এই নিবন্ধন করতে পারবেন।
  • নিবন্ধন সম্পন্ন হওয়ার পর একটি ভ্যাকসিন কার্ড আসবে। সেটি ডাউনলোড করে প্রিন্ট করে নিতে হবে। টিকা নেয়ার সময় এই কার্ডটি দরকার হবে।

স্পট রেজিস্ট্রেশন কিভাবে করবেন?

আপনি যদি শহরে অথবা প্রত্যন্ত অঞ্চলের একজন নাগরিক হয়ে থাকেন, তবে স্থানীয় পর্যায়ে যেমন- লোকাল ক্লিনিক এবং ইউনিয়ন পর্যায়ের আইটি সেক্টরে গিয়ে টিকা গ্রহণের জন্য নিবন্ধন করতে পারবেন ।সেক্ষেত্রে, আপনাকে নিম্নোক্ত কাজগুলো করতে হবে-

  • টিকা নেয়ার জন্য শুধু ভোটার আইডি কার্ড বা জাতীয় পরিচয়পত্র সাথে নিয়ে গেলেই চলবে।
  • টিকা কেন্দ্রে উপস্থিত নির্ধারিত ব্যক্তি এই নিবন্ধনের কাজে টিকা গ্রহণকারীকে সহায়তা করবেন। এছাড়া চাইলে টিকা গ্রহণকারী নিজেও টিকা কেন্দ্রে গিয়ে নিবন্ধন করতে পারবেন।
  • ইউনিয়ন পর্যায়ে টিকা কেন্দ্রগুলিতে নিবন্ধনে সহায়তার জন্য আলাদা আইটি কর্মকর্তা থাকবে বলেও জানান মি. রহমান।
  • অ্যাপের মাধ্যমে টিকার নিবন্ধন শুরু না হলেও সরকারি ওয়েব সাইটের মাধ্যমে আগের নিয়মে নিবন্ধন করা যাবে বলেও জানান তিনি।

করোনাভাইরাস নিবন্ধন প্রক্রিয়া বিষয়ে কোনো তথ্য জানতে হলে আমাদেরকে কমেন্ট করে ফিডব্যাকের জন্য অপেক্ষা করতে পারেন।

#করোনাভাইরাস

Ali Hossain

আমি মোঃ আলী হোসেন । 2018 সাল থেকে সমাজের অর্থনৈতিক, রাজনৈতিক, সামাজিক,মানবিক দৃষ্টিভঙ্গি অবলোকন করে- জীবনকে পরিপূর্ণ আঙ্গিকে নতুন করে সাজানোর আশাবাদী। নতুনের প্রতি মানুষের আকর্ষণ চিরস্থায়ী- তাই নবরুপ ওয়েবসাইটে নিয়মিত লেখালেখি করি।
Back to top button
Close